শিরোনাম
গুলিস্তানে তৈরি হতো ফোন, লেখা ‘মেড ইন চায়না-ফিনল্যান্ড’ বাংলাদেশকে ২৮৫৪ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক ইউক্রেনকে অস্ত্র দেয়া বন্ধ করুন: পশ্চিমা বিশ্বকে ব্রিটিশ রাজনীতিক টাঙ্গাইলে বাবাকে মেরে মসজিদের মাইকে প্রচার, ছেলে আটক খুলনা-মংলা পোর্ট রেলপথ ডিসেম্বরে চালু হবে : রেলপথ মন্ত্রী আয়মান আল-জাওয়াহিরি: আল-কায়েদা নেতা মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে খবর প্রচার বিবিসির আমেরিকাকে সরাসরি রাশিয়ার ‘প্রধান হুমকি’ বলে ঘোষণা দিল মস্কো যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন আমাদের গচ্ছিত অর্থ বিনা শর্তে অবিলম্বে ফেরত দিন: আমেরিকাকে তালেবান ‘ইসরাইল এখন আর লেবাননে আগ্রাসন চালানোর সাহস পায় না’
শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশকে ২৮৫৪ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক

/ ১৩ পঠিত
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ আগস্ট, ২০২২

করোনা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৩০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। প্রতি ডলার সমান ৯৫ দশমিক ১৬ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় ঋণের পরিমাণ ২ হাজার ৮৫৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

রোববার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে। এতে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শরিফা খান ও বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সংস্থাটির বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন সই করেন।

লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকভারি প্রকল্পের আওতায় ৩০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন মেয়াদকাল জানুয়ারি ২০২২ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত।

বিশ্বব্যাংকের স্পেশাল ড্রয়িং রাইটসের (এসডিআর) মুদ্রায় এ ঋণ নেওয়া হবে এবং পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। তবে উত্তোলিত ঋণের ওপর বার্ষিক শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ এবং এক দশমিক ২৫ শতাংশ হারে সুদ পরিশোধ করতে হবে।

অনুত্তোলিত অর্থের ওপর বার্ষিক সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট ফি দেওয়ার বিধান থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বব্যাংক কমিটমেন্ট ফি দেওয়ার বিষয়টি মওকুফ করে আসছে।

প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো- কোভিড-১৯ অতিমারি থেকে উত্তরণে নগর কেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা বাড়ানো, স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিধি সম্প্রসারণ এবং অত্যাবশ্যকীয় নাগরিক সুবিধাসমূহ নিশ্চিত করা। এর মধ্যে রয়েছে- পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্যানিটেশন, ড্রেনেজ ইত্যাদি। এছাড়া প্রকল্পের মাধ্যমে ভ্যাকসিন বিতরণ কার্যক্রম জনগণের কাছে পৌঁছানো এবং সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোর নিজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইটিভিত্তিক রাজস্ব ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা হবে।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ