শিরোনাম
গুলিস্তানে তৈরি হতো ফোন, লেখা ‘মেড ইন চায়না-ফিনল্যান্ড’ বাংলাদেশকে ২৮৫৪ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক ইউক্রেনকে অস্ত্র দেয়া বন্ধ করুন: পশ্চিমা বিশ্বকে ব্রিটিশ রাজনীতিক টাঙ্গাইলে বাবাকে মেরে মসজিদের মাইকে প্রচার, ছেলে আটক খুলনা-মংলা পোর্ট রেলপথ ডিসেম্বরে চালু হবে : রেলপথ মন্ত্রী আয়মান আল-জাওয়াহিরি: আল-কায়েদা নেতা মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে খবর প্রচার বিবিসির আমেরিকাকে সরাসরি রাশিয়ার ‘প্রধান হুমকি’ বলে ঘোষণা দিল মস্কো যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন আমাদের গচ্ছিত অর্থ বিনা শর্তে অবিলম্বে ফেরত দিন: আমেরিকাকে তালেবান ‘ইসরাইল এখন আর লেবাননে আগ্রাসন চালানোর সাহস পায় না’
মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন

প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে হাজারো রোগী, ডায়রিয়া ঠেকাতে তিন প্রতিষ্ঠানের ঠেলাঠেলি

সালাহউদ্দী‌ন / ৬৮ পঠিত
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২২
: লৎফুর রহমান
গতকাল তোলা। ছবি : লৎফুর রহমান

 

দেশে ডায়রিয়া পরিস্থিতির তেমন উন্নতি নেই। গত ১ মার্চ থেকে গতকাল ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ৪৮ হাজার ডায়রিয়া ও কলেরা রোগী চিকিৎসা নিয়েছে রাজধানীর ঢাকার আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র (আইসিডিডিআরবি) হাসপাতালে। হাসপাতালটিতে ৮ এপ্রিলের পর থেকে রোগী ভর্তির সংখ্যা কিছুটা কমলেও কোনো দিনই তা হাজারের নিচে নামেনি।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন ও ওয়াসা—এই তিন প্রতিষ্ঠান দায়িত্ব নিতে চাচ্ছে না।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, সিটি করপোরেশন এ বিষয়ে আমাদের কাছে সহায়তা চাইলে সহায়তা দেওয়া হবে। সিটি করপোরেশন বলছে, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ বা পানি বিশুদ্ধ করার দায়িত্ব ওয়াসার। আর ওয়াসা বলছে, আমরা আমাদের পানিতে ডায়রিয়া বা কলেরার কোনো জীবাণু পাচ্ছি না।

গত বৃহস্পতিবার ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয় এক হাজার ৫৮ জন। গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ১৫ ঘণ্টায় ভর্তি হয় ৬১৯ জন। এর আগে গত ৪ এপ্রিল ভর্তি হয় এক হাজার ৩৮৩ জন। আইসিডিডিআরবির কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে এত ডায়রিয়া ও কলেরা রোগী আগে আর কখনো দেখা যায়নি। ভর্তি রোগীদের ২৩ শতাংশই কলেরায় আক্রান্ত। ঢাকার অন্যান্য হাসপাতাল ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালেও ডায়রিয়া রোগীর ভর্তি হওয়ার সংখ্যা কমার কোনো লক্ষণ নেই। হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

আইসিডিডিআরবির কর্মকর্তারা বলছেন, ২০০৭ সালে বন্যা ও একই সঙ্গে ডায়রিয়ার প্রকোপ শুরু হলে তখন রাজধানীতে নিম্ন আয়ের মানুষের বসবাসের এলাকাগুলোতে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়। ২০১৮ সালেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়, কিন্তু এবারের পরিস্থিতি সে সময়ের তুলনায় অনেক বেশি উদ্বেগের হলেও সে ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

এ পরিস্থিতি লজ্জার : সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা ও এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মোস্তাক হোসেন বলেন, ‘আমাদের দেশে ডায়রিয়া রোগের চিকিৎসার জন্য মুখে খাবার স্যালাইন তৈরি হয়েছে। কলেরা টিকা তৈরিতেও আমাদের দেশের বিজ্ঞানীদের অবদান আছে। কিভাবে এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়, সে জ্ঞানও আমাদের রয়েছে, কিন্তু এবার দীর্ঘ সময় ধরে চলা ডায়রিয়ার প্রকোপ আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না—এ পরিস্থিতি লজ্জার। ’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ