শিরোনাম
গুলিস্তানে তৈরি হতো ফোন, লেখা ‘মেড ইন চায়না-ফিনল্যান্ড’ বাংলাদেশকে ২৮৫৪ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক ইউক্রেনকে অস্ত্র দেয়া বন্ধ করুন: পশ্চিমা বিশ্বকে ব্রিটিশ রাজনীতিক টাঙ্গাইলে বাবাকে মেরে মসজিদের মাইকে প্রচার, ছেলে আটক খুলনা-মংলা পোর্ট রেলপথ ডিসেম্বরে চালু হবে : রেলপথ মন্ত্রী আয়মান আল-জাওয়াহিরি: আল-কায়েদা নেতা মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে খবর প্রচার বিবিসির আমেরিকাকে সরাসরি রাশিয়ার ‘প্রধান হুমকি’ বলে ঘোষণা দিল মস্কো যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন আমাদের গচ্ছিত অর্থ বিনা শর্তে অবিলম্বে ফেরত দিন: আমেরিকাকে তালেবান ‘ইসরাইল এখন আর লেবাননে আগ্রাসন চালানোর সাহস পায় না’
মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ১২:০৬ অপরাহ্ন

আফগানিস্তানে মার্কিন শীর্ষ কমান্ডারের পদত্যাগ

/ ২৬৭ পঠিত
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১

মিডিয়া ডেস্ক : প্রায় ২০ বছর পর আফগানিস্তান ছাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বাহিনী। ইতোমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর শীর্ষ জেনারেলদের স্থানান্তর শুরু হয়ে গেছে। এর মধ্যেই দীর্ঘদিন ধরে আফগানিস্তানে দায়িত্ব পালন করা শীর্ষ মার্কিন জেনারেল অস্টিন স্কট মিলার গত সোমবার পদত্যাগ করেছেন। খবর বিবিসির।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যেই আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান বন্ধ হবে। তার এই ঘোষণার পরেই মিলারের পদত্যাগের খবর সামনে এলো।

বাইডেনের বেঁধে দেয়া সময়সীমার মধ্যেই যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য ন্যাটোভূক্ত দেশগুলো তাদের প্রায় সব সামরিক বাহিনীর সদস্যকে আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করা শুরু করে দিয়েছে।

আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ন্যাটো বাহিনীর সব সদস্যের আফগানিস্তান ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। ফলে দীর্ঘ দুই দশক পর দেশটি ছাড়ছে বিদেশি সেনারা। তবে ন্যাটোর সদস্যরা আফগানিস্তান ছাড়তে শুরু করার মধ্যেই দেশটির বিভিন্ন স্থানে তালেবানের হামলা বেড়ে গেছে। এমনকি আফগানিস্তানের অধিকাংশ অঞ্চলের দখল নিতে শুরু করেছে তালেবান।

সোমবার একটি সাধারণ অনুষ্ঠানে জেনারেল মিলার অন্য দুই মার্কিন জেনারেলের কাছে তার দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। তিনি বলেন, আমার বিদায় জানানোটা গুরুত্বপূর্ণ। সে সময় আফগানিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। আবেগঘন মিলার বলেন, আমাদের কাজ ভুলে যাওয়ার নয়।

দীর্ঘ সময় ধরে সফলতার সঙ্গে আফগানিস্তানে ন্যাটো ও মার্কিন বাহিনীর হয়ে কাজ করেছেন জেনারেল মিলার। এটাকে নিজের ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সময় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তবে পশ্চিমা বাহিনী প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকেই তালেবানের হামলা-সহিংসতা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। সরকারি বাহিনীকে হটিয়ে দেশটির বিভিন্ন এলাকার দখল নিতে শুরু করেছে সশস্ত্র এ গোষ্ঠী। আফগান এলাকার কর্তৃত্ব দখল নিয়ে তালেবান ও আফগান সরকারের মধ্যে প্রায়ই দ্বিমত দেখা যায়। তবে সম্প্রতি আফগানিস্তানের ৮৫ শতাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণে নেয়ার দাবি করেছে তালেবান।

এদিকে তালেবানের সঙ্গে লড়াইয়ে টিকতে না পেরে পার্শ্ববর্তী দেশ তাজিকিস্তানে পালিয়ে যাচ্ছে আফগান সেনারা। কিন্তু আফগান সরকার বলছে, পালিয়ে যাওয়া এসব সৈন্যদের ফিরিয়ে ফের যুদ্ধে পাঠানো হবে।

অপরদিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব বিদেশি সেনা আফগানিস্তান না ছাড়লে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে তালেবান। কিন্তু সশস্ত্র এই গোষ্ঠীর সঙ্গে সরকারি বাহিনীর লড়াই আরও তীব্র হলে আশপাশের দেশ অভিমুখে ফের আফগান শরণার্থীর ঢল নামতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে আফগানিস্তান সীমান্তের ক্রসিংগুলোতে সতর্কতা জারি করেছে তাজিকিস্তান। ইতোমধ্যেই আফগান সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদারে বাড়তি ২০ হাজার সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে দেশটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ