শিরোনাম
কোরবানির ঈদ আসছে সোয়া কোটি পশু একাধিক পাকিস্তানি দূতাবাসের অ্যাকাউন্ট ব্লক করল টুইটার ইন্ডিয়া মসজিদে প্রবেশে সরকারের নতুন নির্দেশনা – ভারতে শাতেমে রাসূলের উচিত শিক্ষা দিয়েছেন নবী প্রেমিক দুই মুসলিম যুবক! ‘দা কাশ্মীর ফাইলস’ যেভাবে মুসলিমদের জন্য ভারতের ভূমিকে সঙ্কুচিত করে দিয়েছে ইউক্রেনে বিপণী কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় : হতাহত বেড়ে ৫০ তুরস্কে সমকামী কর্মীদের ‘প্রাইড মার্চ’ আটকাতে গ্রেফতার ২০০ ইরান-ইসরায়েল ছায়াযুদ্ধ কি সরাসরি বাস্তব যুদ্ধে রূপ নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার বাতিল কেন সৌদি যুবরাজের ঘনিষ্ঠ হতে উদগ্রীব এরদোগান?
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন

মসজিদগুলোকে সিনাগগ-বারে রূপান্তর করছে ইসরায়েল, দাবি হাই ফলোআপ কমিটির!

/ ৩৭৮ পঠিত
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২০

মিডিয়া ডেস্ক : ইসরায়েলের আরব নাগরিকদের অধিকার আদায়ের জন্য গঠিত ‘হাই ফলোআপ’ কমিটির মুখপাত্র কামাল খতিব অভিযোগ করেছেন, নাকবার (১৯৪৮ সালের ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ) পরে পালিয়ে যাওয়া মুসলিমদের মসজিদগুলোকে সিনাগগ ও বারে রূপান্তর করছে ইসরায়েল।

তুরস্কভিত্তিক আনাদোলু এজেন্সিকে তিনি বলেছেন, টাইবেরিয়াসের অন্যতম একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন প্রাচীন উমারি মসজিদ। এটি মসজিদে জায়দান নামেও পরিচিত। একটি বড় গম্বুজ এবং একটি মিনার সহ মামেলুক স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত হয়েছে মসজিদটি। ঐতিহাসিক এই মসজিদটি এখন পরিত্যাক্ত অবস্থায় রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বেশির ভাগ ফিলিস্তিনির মতো টাইবেরিয়াসের বাসিন্দারাও নাকবার (১৯৪৮ সালের ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ) পরে সিরিয়া ও লেবাননে পালিয়ে গেছেন। জায়দানি পরিবার অবশ্য সংলগ্ন শহর নাসেরেতে চলে গেছে।’

খতিব অভিযোগ করেন যে, ‘জায়দানি পরিবার ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে উমারি মসজিদটি সংস্কারের অনুমতি দেওয়ার জন্য বলেছিল। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ টাইবেরিয়াস পৌরসভা এটির সংস্কার করবে বলে যুক্তি দিয়ে তাদের সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিল, কিন্তু বাস্তবে কিছুই ঘটেনি।’

তিনি বলেন, ‘মসজিদটিতে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মুসল্লি এবং দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় বর্তমানে মসজিদটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে।’
সমীক্ষায় দেখা গেছে, ইসরায়েলে ৪০টি মসজিদ হয় ধ্বংস, বন্ধ বা ত্যাগ করা হয়েছে। অন্যদিকে ১৭টি মসজিদকে রেস্তোঁরা বা জাদুঘরে পরিণত করা হয়েছে। উদাহরণ স্বরূপ, সাফেদের উত্তরের শহরে অবস্থিত আল-আহমার মসজিদকে একটি কনসাট হলে পরিণত করা হয়েছে। এ ছাড়া সিজারিয়া শহরের আল-জাদিদ মসজিদকে মদের বারে পরিণত করা হয়েছে।

খতিব স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, প্রাক-নকবা যুগে মসজিদগুলোতে নিয়মিত মুসল্লিরা নামাজ আদায় করতেন। নকবার পর অবশ্য মসজিদগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছিল, বিশেষত গ্রামাঞ্চলগুলোতে। অন্য মসজিদগুলোকে উপাসনালয়, বার, জাদুঘর, ক্যাফে বা রেস্তোঁরায় পরিণত করা হয়েছিল।

খতিব বলেছিলেন যে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে আসা ফিলিস্তিনিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্য আইন প্রণয়ন করেছে।

তিনি বলেন, নেসেট (ইসরায়েলের সংসদ) অনুপস্থিতদের সম্পত্তি অধিগ্রহণ আইন পাস করেছে। যার অধীনে ইসরায়েল আরব নাগরিকদের, যারা তাদের বাড়িঘর ফেলে অন্যত্র পালিয়ে গেছে, তাদের বাড়িঘর এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে।

তবে ইসরায়েল উপাসনা বাদে অন্য কাজে মসজিদ ব্যবহার করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ২০১৫ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল যে ইসরায়েলে প্রায় ৪০০ মসজিদ রয়েছে এবং গত ২৫ বছরে উপাসকদের সংখ্যা পাঁচ গুণ বেড়েছে।

খতিব অবশ্য ইসরায়েলের দাবি খারিজ করে বলেছেন, ‘ইসরায়েলি সরকার দেশের ইতিহাসে কখনো কোনো মসজিদ নির্মাণ করেনি।’

সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ