শিরোনাম
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ১০:০৫ অপরাহ্ন

অনুভূতির আকাশে শ্রে­­ষ্ঠ ভালোবাসা !

/ ৩৬৯ পঠিত
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২০

তাহিয়া ইসলাম

ঈমানের রবি,ভালোবাসার তিনিই উৎস,
পাপড়ি মাঝে লুকিয়ে থাকা গর্বিত অংশ।
তিনিই হলেন বাগান মাঝে শ্রেষ্ঠ ফোটা ফুল, ভালোবাসায় সিক্ত সবে অধম আশেককুল।

যার প্রথম দর্শনেই হৃদয় হয় প্রেমমুগ্ধ, যার ভালোবাসা অন্তরকে করে তুলে সবুজ অরণ্যের মত স্বচ্ছ ও নির্মল ।
যার সামান্য নম্রতা মিশ্রিত হাসি, হার মানায় জোৎস্না রাতের আলোকবর্তিকা উজ্জ্বল চাঁদকেও। যার এক পলক দর্শনে মর্তলোকের মানব থেকে দৃশ্যমান যত সৃষ্টি সবারই হৃদয়ে ঘটতো নব প্রাণের সঞ্চার।

অশান্তি অন্ধকার থেকে মুক্তি দিতে প্রভুর আদেশে মুক্তির মহা সড়কে চলার দিশা ছিল যার মুখ নিসৃত শুধু একটি বাণী।

যার সৌন্দর্যের বর্ণনায় কাব্য লেখক কবি, কলম চালক লেখক, মোট কথা;যে কোন শিল্পীর শিল্পই ক্লান্ত হতে বাধ্য।

তাঁর সৌন্দর্য,তাঁর দেহ ও মনের বর্ণনা দেবার ক্ষমতা কার আছে?
তাঁর জন্ম এমন এক অখ্যাত অজ্ঞাত জগতে ছিল যার বর্ণনা বিশ্ব মানচিত্রে ছিল না।অসভ্যতা পূর্ণ সেই ভূমি যে পরশমণির পরম সৌভাগ্যে আজ বিশ্ব পরিচিত ও বিশ্ব আকর্ষণীয় হলো।

বিস্মিত হৃদয় শুধু সেই ভূমির দর্শন লাভে ধন্য হওয়ার আশায় ব্যাকুল হয়ে থাকে।
সেই দেশের দর্শনাগ্রহী নয় এমন চক্ষু পাবে কে? সেই দেশ দেখে প্রেমে কাতর হয় নি এমন হৃদয় আছে কি?
অসভ্যতার চরম নিদর্শন সেই আরব ভূমি আজ সভ্যতার মুকুটে পরিবর্তিত শুধু তাঁর আগমনে।

আহমাদি নূরের সাওগাতে ধন্য,প্রভুর বিশেষ করুণাধারায় সিক্ত,শ্রেষ্ঠ নবুওয়াতের অরুণালোকে স্নাতসিক্ত গর্বিত বালুকাময় সেই আরবভূমি!!

বঞ্চিত দূরদেশী এই আমাদের ঈর্ষা ছাড়া আর কি করার আছে!!? ,,, প্রশান্ত জমজম কুপের স্বচ্ছ জলের শান্ত প্রবাহ না কি হার মানায় নীল নদ থেকে নিয়ে যত গর্বিত সাগরমালা আছে ?

কবির ভাষায়:

এক অন্ধকারচ্ছন্ন মুর্খতার যুগে আগমন তাঁর , প্রথম পুষ্প ছিলেন শুষ্ক মরুময় সেই বাগিচার ।

সুরভিত হারামাইন যার মোহনায়,
অশান্ত সব শান্ত হলো যার সোহবত ছায়ায়।

মেহনতে আলো ছড়িয়ে হলেন কামিয়াব,
পরশমণির পরশ-রতন সবাই সয়লাব!!

আকাশের অসংখ্য তারকাপুঞ্জ, গাছে থাকা প্রতিটি পাতা,

ডালে ডালে ডানাওয়ালা সৌন্দর্যমণ্ডিত পাখ-পাখালি,

বহমান জলের প্রতিটি বিন্দু বিন্দু জলকনা,

মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিটি পর্বতশৃঙ্গ,

রাতের আধাঁরে জলতে থাকা হাজারো জোনাকি,

সাগরের বুকে ছড়ানো নাম না জানা অসংখ্য মৎস,

সবশেষে পৃথিবীর সব চেয়ে দামী স্থান আল্লাহর আরশ যার স্পর্শে ধন্য ,

যার আগমনে আনন্দিত,

যার দর্শনে পুলকিত, মুগ্ধ,

যার এক চিলতে হাসিতে মোহিত সম্মোহিত,

যার বিচ্ছেদ বেদনায় কাতর,তার জন্য এত সব অনুভব অনুভূতি তো প্রাণের অধীনে থাকা সকল প্রণীর দেহ-মনে বিরাজমান।

পরিশেষে কলমের এত কালি ঝরলো যার
চরণ তলে।চিন্তার ভেলা পথ হারালো যার স্মরণে।তৃপ্ত হলো আত্মা যার সৌন্দর্য বর্ণনায় ।হৃদয় আকাশ মেঘ শূন্য হলো যার ভাবনার শেষে।হৃদয় গর্বিত যাকে ভালোবেসে।অন্তর তৃপ্ত যাকে “ভালোবাসি” বলতে পেরে।

যাকে ভালোবেসে তৃপ্তিরা স্বাধীন হয়।
একবার বলতে ইচ্ছা করে,
হে প্রিয়! ভালোবাসি তোমায়,শুধুই তোমায়।

যাকে ভালোবেসে চোখেরা অশ্রু গড়িয়ে সুখ খুঁজে পায়। যাকে সত্যিকারের ভালোবেসেছি। তবুও হয় নি বলা “ভালোবাসি তোমায়” ।

হৃদয়টা বড্ড এলোমেলো হয়ে যায় যার ভাবনায়।স্বপ্নে সেই প্রেমিকের দর্শন সমস্ত জীবনের বিনিময়ে হলেও আমি চাই ।
এত জনসমাগমে,কোলাহলে মন চিৎকার করে জানাতে চায় “ভালোবাসার কথা”।

দরূদ!! আহ, তা কতই না মধুর বাক্য!
এই হৃদয় তৃপ্ত হয় তাঁর রওজায় দরূদ প্রেরণে।

এই আশেক বারে বারে পথ হারায় তার দর্শন লোভে। হৃদয় বার বার হাহাকার করে উঠে। যাকে শুধু একবার,মাত্র একটি বার বলতে,,,

আনা উহিব্বুকা ইয়া হাবিবাল্লাহ.! ইয়া রাসূলাল্লাহ.!
ইয়া সায়্যিদাল ক্বওনাইন.!
আনা উহিব্বুকা ইয়া হাবিবী হুব্বান শাদীদা !!
(انا احبك یا حبیب اللّٰه.!۔یا رسول الله! یا سيد الکونين.!۔
انا احبك یا حبیبي حبا شديدا!!!)
তাঁর আলোচনায় সমাপ্তিরাও যেন অতৃপ্ত!,,


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ