শিরোনাম
গুলিস্তানে তৈরি হতো ফোন, লেখা ‘মেড ইন চায়না-ফিনল্যান্ড’ বাংলাদেশকে ২৮৫৪ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক ইউক্রেনকে অস্ত্র দেয়া বন্ধ করুন: পশ্চিমা বিশ্বকে ব্রিটিশ রাজনীতিক টাঙ্গাইলে বাবাকে মেরে মসজিদের মাইকে প্রচার, ছেলে আটক খুলনা-মংলা পোর্ট রেলপথ ডিসেম্বরে চালু হবে : রেলপথ মন্ত্রী আয়মান আল-জাওয়াহিরি: আল-কায়েদা নেতা মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে খবর প্রচার বিবিসির আমেরিকাকে সরাসরি রাশিয়ার ‘প্রধান হুমকি’ বলে ঘোষণা দিল মস্কো যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন আমাদের গচ্ছিত অর্থ বিনা শর্তে অবিলম্বে ফেরত দিন: আমেরিকাকে তালেবান ‘ইসরাইল এখন আর লেবাননে আগ্রাসন চালানোর সাহস পায় না’
মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন

চীন-ভারত সংঘর্ষ ; কার পক্ষ নেবে যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়া?

/ ৩৮৯ পঠিত
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০

শুরু হয়ে গেছে ভারত-চীন সীমান্ত সংঘাত। সোমবার রাতে দু পক্ষে মল্লযুদ্ধে বেশ কয়েকজন সেনা হতাহত হয়েছে। এ অবস্থায় দেশ দুটির মধ্যে মুখোমুখি লড়াই সাম্প্রতিক কালে ভারতের যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্র দেশগুলো যেমন জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ইসরায়েল এবং ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে বেশ ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ভারতের সাথে এসব দেশের সামরিক সহযোগিতা বেশ ঘনিষ্ঠ। কাজেই এসব দেশ হয়তো রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং সামরিকভাবে ভারতকে সমর্থন দেবে।

ভারত-চীনকে মধ্যস্থতার প্রস্তাব ট্রাম্পের
সেনবাহিনী বা সশস্ত্রবাহিনী যা কিছু করে, তার পেছনে একটা রাজনৈতিক-কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট থাকে। বর্তমানে ভারত এবং চীনের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে, সেটা বিশ্বজনীন প্রেক্ষাপটে সেটা বেশ বৈরি।

বিশ্ব রাজনীতিতে এই দু্‌ই দেশের অবস্থান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরে। আন্তর্জাতিকভাবে চীনের সেই অর্থে কোন মিত্র নেই। তাদের একটি মিত্রদেশ হচ্ছে পাকিস্তান। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছর ধরে বলা যায় ভারতের মিত্র রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

১৯৯৯-২০০০ সাল হতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের সম্পর্ক ক্রমশ ঘনিষ্ঠ হয়েছে। এর মধ্যে সামরিক সহযোগিতার ব্যাপারটিও রয়েছে। এই সহযোগিতা গত দুই দশকে অনেক দৃঢ় হয়েছে। ভারত বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন কয়েকটি সামরিক জোটের অংশগ্রহণ করেছে।

অন্যদিকে গত কয়েক বছরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছে গেছে। এ অবস্থায় ভারতের সঙ্গে মিত্রতা বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নরেন্দ্র মোদিকে বন্ধু বলে সম্বোধন করে থাকেন।

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের এই মাখামাখিটা মোটেই পছন্দ নয় বেইজিং সরকারের। এই প্রেক্ষাপটে চীন-ভারত সম্পর্ক ক্রমশ শত্রুভাবাপন্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই চীন-ভারত সংঘাতে নয়াদিল্লির পক্ষ নেবে ট্রাম্প প্রশাসন। আর মার্কিন সরকার যার পক্ষ নেবে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোও তার কথাই বলবে।

অন্যদিকে চীনের সেরকম আন্তর্জাতিক মিত্র নেই। রাশিয়া চীনের বন্ধুরাষ্ট্র, কিন্তু মনে রাখতে হবে অতীতে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতেরও ঘনিষ্ঠ মৈত্রী ছিল। ১৯৬২ সালের যুদ্ধে রাশিয়া কিন্তু চীনের বদলে ভারতকেই সমর্থন করেছিল। কাজেই প্রত্যেকটি দেশ হয়তো এখানে তার নিজের স্বার্থটাকে আগে দেখবে।

তবে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের মতো দেশের সঙ্গে চীন এবং ভারত, উভয় দেশেরই সুসম্পর্ক আছে। তাই দুই দেশের মধ্যে যদি যুদ্ধ শুরু হয় তখন সরাসরি কারও পক্ষ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের উপর চাপ বাড়বে কিনা সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ বিশেষ করে-পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে চীনের সম্পর্ক বেশ ভালো। ভারতের সঙ্গে যে তাদের সম্পর্ক খারাপ তেমনটা বলা যাবে না। মিয়ানমার, থাইল্যান্ডের ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রেও কিন্তু একই কথা প্রযোজ্য।

তবে পকিস্তানের বিষয়টা আলাদা। কারণ ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের দ্বন্দ্ব সর্বজনবিদিত। স্বাভাবিকভাবেই তারা চোখ কান বন্ধ করে চীনকে সমর্থন দিয়ে যাবে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ