শিরোনাম
লেখক ফোরাম সাহিত্য প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে আছেন যারা ডিএসইসি লেখক সম্মাননা পেলেন লেখক ফোরামের জহির উদ্দিন বাবর ও মাসউদুল কাদির আল্লামা শফীর ১৩ দফা বাস্তবায়নে পুনরায় সক্রিয় হচ্ছে হেফাজত সরকারবিরোধী আন্দোলন : বিএনপি নেতাকর্মীরা চাঙা তিন কারণে নারায়ণগঞ্জে আবারো গলাকাটা লাশ উদ্ধার গুলিস্তানে তৈরি হতো ফোন, লেখা ‘মেড ইন চায়না-ফিনল্যান্ড’ বাংলাদেশকে ২৮৫৪ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক ইউক্রেনকে অস্ত্র দেয়া বন্ধ করুন: পশ্চিমা বিশ্বকে ব্রিটিশ রাজনীতিক টাঙ্গাইলে বাবাকে মেরে মসজিদের মাইকে প্রচার, ছেলে আটক খুলনা-মংলা পোর্ট রেলপথ ডিসেম্বরে চালু হবে : রেলপথ মন্ত্রী
রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১০:৪১ অপরাহ্ন

সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী হত্যা: দায় স্বীকার ১৩০ জনের!

/ ৫০৫ পঠিত
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২০

মিডিয়া ডেস্ক : সুইডেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলফ পালম-কে ১৯৮৬ সালে হত্যা করা হয়। এবার তাকে হত্যাকারীর নাম ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রসিকিউটর। জানা গেছে, খুনির নাম স্টিগ ইংস্ট্রম। তবে ২০০০ সালে অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। সে কারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে তদন্ত এখানেই থেমে যাচ্ছে। সুইডেনের চীফ প্রসিকিউটর ক্রিস্টার পিটারসন এ কথা জানিয়েছেন। 

তিনি আরো জানান, সিনেমাহল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বাড়ি ফেরার সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে গুলি করা হয়েছিল পেছন থেকে। ওই দিনই নিরাপত্তা রক্ষীদের বিদায় জানিয়েছিলেন ওলফ পালম। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার আগে বহু মানুষের সামনেই ব্যস্ত রাস্তায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে গুলি চালিয়েছিলেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।

পালমের ছেলে জানান, প্রসিকিউটর সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তিনিও এই মামলা বন্ধ করে দিতে চান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী হত্যার জেরে এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এর আগে একজনকে অভিযুক্ত করা হলেও পরে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

তবে বিস্ময়কর হচ্ছে ওই খুনের ঘটনায় দোষ স্বীকার করেছিল একশ ৩০ জনের বেশি। খুনের ঘটনায় হাজার হাজার মানুষকে জেরা করা হয়। এক ছিঁচকে অপরাধীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরে আবার সেই রায় নাকচ করে দেওয়া হয়। সন্দেহভাজন অপরাধীদের লাইন করে যখন হাজির করা হয়, তখন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী তাকে অপরাধী হিসেবে শনাক্ত করেছিলেন। 

১৯৮৯ সালে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল। পরে অল্পদিনের মধ্যেই এক আপিলে ওই রায় খারিজ করে দেওয়া হয়। হত্যার কোনো উদ্দেশ্য প্রমাণ হয়নি তার বিরুদ্ধে। তার কাছে কোনো অস্ত্রও পাওয়া যায়নি। ওই ব্যক্তি ২০০৪ সালে মারা গেছেন।

তদন্তকারী দলের প্রধান হান্স মেলান্ডার জানান, ওই খুনের ঘটনায় দোষ স্বীকার করেছিল ১৩০ জনের বেশি মানুষ। গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে মামলার প্রধান কৌঁসুলি ক্রিস্টার পিটারসন বলেছেন, স্টিগ এংগস্ট্রম যেহেতু বেঁচে নেই, তাই তার বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগ গঠন করতে পারব না। তাই এই তদন্তের এখানেই ইতি টানার সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি।

তিনি আরো বলেছেন, তদন্তে প্রথমে স্টিগ এংগস্ট্রমকে সন্দেহ করা হয়নি। কিন্তু যখন তার নাম সন্দেহভাজনদের তালিকায় আসে, তখন তারা জানতে পারেন- তিনি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে দক্ষ, কারণ সেনাবাহিনীতে ছিলেন তিনি এবং একটি শুটিং ক্লাবের সদস্যও ছিলেন।

তিনি উলফ পালমের বামপন্থী নীতির বিরোধী ছিলেন এংগস্ট্রম এবং তার নিজের এলাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমালোচক এক গোষ্ঠীর সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। ২০১৮ সালে উলফ পালমের স্ত্রী লিসবেট পালম মারা যান।

সূত্র : বিবিসি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ