শিরোনাম
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ১০:০৭ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ চলছেই, গ্রেপ্তার ১০ হাজারের বেশি!

/ ৩২৯ পঠিত
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০

মিডিয়া ডেস্ক : বিপুলসংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি আর কারফিউ উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে অব্যাহত আছে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভ। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে। সেই সঙ্গে চলছে ধরপাকড়।

এদিকে জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত চার পুলিশ সদস্যকেই মামলার আসামি করা হয়েছে।
মিনোসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনেপলিস শহরে গত ২৫ মে পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক শভিন প্রায় ৯ মিনিট ধরে আফ্রিকান-আমেরিকান নাগরিক জর্জ ফ্লয়েডের ঘাড়ে হাঁটু গেড়ে বসে থাকলে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান ফ্লয়েড।

পুলিশ হেফাজতে তাঁর মৃত্যুর ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনকে উসকে দেয় এবং তা গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৪০টি শহরে কারফিউ জারি করা হয়। পরে অবশ্য বেশ কয়েকটি শহর থেকে কারফিউ প্রত্যাহার করা হয়।

তবে বিক্ষোভ অব্যাহত আছে। প্রতিদিনই শত শত বিক্ষোভকারী গ্রেপ্তার হচ্ছে। সব মিলিয়ে গত ১০ দিনের বিক্ষোভে ১০ হাজারের বেশি গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। এছাড়া নিউ ইয়র্কে কারফিউর মধ্যেই গত বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়।

এ সময় এক পুলিশ সদস্যের ঘাড়ে ছুরিকাঘাত করা হয় এবং অন্য দুই পুলিশের হাতে গুলি করা হয়। তবে তাঁদের কারো আঘাতই প্রাণঘাতী নয় বলে নিশ্চিত করেছে নিউ ইয়র্ক পুলিশ। সংঘর্ষের সময় পুলিশের গুলিতে আহত এক ব্যক্তির অবস্থা কেমন, তা তাত্ক্ষণিক জানায়নি কর্তৃপক্ষ।

দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের পাশাপাশি ফ্লয়েডের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কর্মসূচি অব্যাহত আছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল মিনেপলিসে নাগরিক অধিকারকর্মী আর্ল শার্পটনের নেতৃত্বে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

এদিকে গতকাল আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের সময় উপস্থিত থাকা চার পুলিশ সদস্যকেই বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। এর আগে শুধু একজনকে আসামি করা হয়েছিল।

সূত্র : আলজাজিরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ