শিরোনাম
গুলিস্তানে তৈরি হতো ফোন, লেখা ‘মেড ইন চায়না-ফিনল্যান্ড’ বাংলাদেশকে ২৮৫৪ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক ইউক্রেনকে অস্ত্র দেয়া বন্ধ করুন: পশ্চিমা বিশ্বকে ব্রিটিশ রাজনীতিক টাঙ্গাইলে বাবাকে মেরে মসজিদের মাইকে প্রচার, ছেলে আটক খুলনা-মংলা পোর্ট রেলপথ ডিসেম্বরে চালু হবে : রেলপথ মন্ত্রী আয়মান আল-জাওয়াহিরি: আল-কায়েদা নেতা মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে খবর প্রচার বিবিসির আমেরিকাকে সরাসরি রাশিয়ার ‘প্রধান হুমকি’ বলে ঘোষণা দিল মস্কো যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন আমাদের গচ্ছিত অর্থ বিনা শর্তে অবিলম্বে ফেরত দিন: আমেরিকাকে তালেবান ‘ইসরাইল এখন আর লেবাননে আগ্রাসন চালানোর সাহস পায় না’
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন

অনিশ্চয়তার মুখে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা !

/ ৪৬৩ পঠিত
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০

আওয়ার মিডিয়া : করোনাভাইরাসের কারণে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু করা এবং এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ১ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল। কিন্তু ভাইরাসের কারণে ক্রমান্বয়ে পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চপর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, গতকাল মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেনের সঙ্গে শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই দুই পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

তাতে বলা হয়েছে, সীমিত আকারে যানবাহন চলা শুরু হলে তার ১৫ দিন পর এসএসসির ফল প্রকাশ করা হবে। সেটি মে মাসে যদি সম্ভব হয়, তা করা হবে। তবে সীমিত আকারে যান চলাচলের বিষয়ে সরকার কবে সিদ্ধান্ত নেবে, তা এখনো ঠিক হয়নি। আর এইচএসসি পরীক্ষা আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে শুরু হচ্ছে না।

এবারের এইচএসসিতে মোট পরীক্ষার্থী ১৩ লাখের বেশি। শুরুর আগমুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এসব পরীক্ষার্থী। আর গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় সাড়ে ২০ লাখ।

শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, এই দুই পরীক্ষার কারণে পুরো শিক্ষাপঞ্জিতেই প্রভাব পড়বে। কারণ, এসএসসির পরপর কলেজে ভর্তি পরীক্ষা থাকে। আবার এইচএসসির ফল প্রকাশের পর উচ্চশিক্ষায় ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়। এখন সবই পিছিয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও বন্ধ হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে পুরো শিক্ষাব্যবস্থায় সেশনজট দেখা দেবে।

শুধু এই দুই পাবলিক পরীক্ষাই নয়, দেশের পুরো শিক্ষা কার্যক্রমই অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ হওয়ায় শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী কোনো কার্যক্রমই করা যাচ্ছে না। এর ফলে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে।

এদিকে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি একই সমস্যায় ভুগছে বাংলাদেশের ক্বওমী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।


বেফাক ও হাই আতুল উলয়ার পরীক্ষা অন্যান্য বছরের মত রোজার আগে হওয়ার কথা থাকলেও করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে এ বছর তা সম্ভব হয়নি। বেফাক ও হাই আতুল উলয়ার পরিচালকরা জানান, “রোজার আগে পরীক্ষা শুরু হবার কথা থাকলে ও করোনা ভাইরাসের কারণে তা হয়নি। তবে আমরা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছি যে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী ঈদুল ফিতরের পরে বেফাক ও মাস্টার্সের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ