রবিবার, ০৩ জুলাই ২০২২, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন

সরবরাহ সংকট : বাড়ছে আমদানি পণ্যের দাম

/ ৪৩৩ পঠিত
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২০

আওয়ার মিডিয়া : করোনা সংক্রমণের আতঙ্কে চট্টগ্রাম বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্টদের বিরুদ্ধে আমদানি করা পণ্য খালাসে অনীহার অভিযোগ উঠেছে। তারা কাস্টম হাউসে যাচ্ছেন না, পণ্যও খালাস করছেন না। যে কারণে আড়তে বিভিন্ন আমদানি করা পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

ফলে খুচরা বাজারে মাসের ব্যবধানে বাড়ছে আদা, রসুন, পেঁয়াজসহ একাধিক পণ্যের দাম। রাজধানীর পণ্য আমদানিকারক ও পাইকারি আড়তদাররা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা দুর্যোগের মধ্যে দিনকয়েক পর আসছে রমজান। তাই এখন থেকেই বেড়ে যাওয়া পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। তা না হলে বাজারে নিত্যপণ্য কিনতে গিয়ে ভোক্তার ভোগান্তি আরও চরমে পৌঁছাবে।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা ও আসন্ন রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ঠিক রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে একাধিকবার তাগিদ দেয়া হয়েছে। দেশের বর্তমান অবরুদ্ধ অবস্থায় পণ্যবাহী পরিবহন চলাচলে যাতে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া বাজারে যাতে পণ্যের কোনো ধরনের সংকট না হয়, দাম না বাড়ে সেদিকেও নজর রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।

রাজধানীর নয়াবাজার ও রায়সাহেব বাজারে বৃহস্পতিবার খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি কেজি চীন থেকে আমদানি করা আদা বিক্রি হয়েছে ৩৫০ টাকা। যা এক মাস আগে বিক্রি হয়েছে ১৬০ টাকা। মিয়ানমার থেকে আমদানি করা আদা বিক্রি হয়েছে ৩০০ টাকা কেজি। যা এক মাস আগে ছিল ১৫০ টাকা।

চীন থেকে আমদানি করা রসুন বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকা। যা এক মাস আগে ছিল ১৫০-১৬০ টাকা। আমদানি করা শুকনা মরিচ বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৩৫০ টাকা কেজি। যা এক মাস ছিল ৩০০ টাকা। প্রতি কেজি আমদানি করা হলুদ বিক্রি হয়েছে ১৮০-২০০ টাকা। যা এক মাস আগে ছিল ১৪০-১৪৫ টাকা।

সিএন্ডএফ এজেন্টদের বিরুদ্ধে পণ্য খালাসে অনীহার অভিযোগ ** মাসের ব্যবধানে বেড়েছে আদা, রসুন পেঁয়াজের দাম

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজধানীর সর্ববৃহৎ পাইকারি বাজার শ্যামবাজারের আমদানিকারক ও আড়তদাররা অভিযোগ করে বলেন, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্টরা আমদানি করা পণ্য খালাস করতে যাচ্ছে না। এতে করে আদা, রসুনসহ একাধিক পণ্যের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলে এসব পণ্যের দাম পাইকারি পর্যায়ে বেড়ে যাচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।

তারা জানান, এক হাজার জনের লাইসেন্স থাকলেও সক্রিয় হাতেগোনা ৫০ জন সিএন্ডএফ এজেন্ট। আর এই ৫০ জনের মধ্যে দুই থেকে চারজন গোটা সিএন্ডএফ এজেন্টদের নিয়ন্ত্রণ করে। এদের নেতৃত্বে সিন্ডিকেট করে করোনা পরিস্থিতিতে পণ্য খালাসে তারা গড়িমসি করছেন। যে কারণে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

তারা আরও জানান, এখানকার প্রায় সব ব্যবসায়ী আমদানি করা পণ্যের অপেক্ষায় আছেন। যা শবেবরাতের আগেই আসার কথা ছিল। আর এসব পণ্য রমজানের ২৪-২৫ রমজান পর্যন্ত বিক্রি হতো। তবে তা এখনও আসেনি। আর কবে নাগাদ আসবে তাও বলতে পারছে না।

তথ্য সূত্র : যুগান্তর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ