শিরোনাম
জায়নিস্ট আগ্রাসন : ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করেই গুম করে ফেললো ইসরাইল আশ-শাবাবের দুর্দান্ত সব হামলায় ৩৪ কুফ্ফার সেনা হতাহত মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে জেনে নিন এবারের তাকমীল জামাতের পরীক্ষার রেজাল্ট! ‘ইসলামপ্রিয় নেতৃত্বের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানকে ভয় পায় সরকার’ পদ্মা সেতুতে নিয়ে খালেদাকে টুস করে ফেলে দেওয়া উচিত : প্রধানমন্ত্রী দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা ইসলাম ও ইসলামী শিক্ষা নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: মুফতী ফয়জুল করীম শ্বেতপত্র প্রকাশ করে গণকমিশন সংবিধান বিরোধী অপরাধ করেছে: ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ মাওলানা এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীর বিরুদ্ধে মামলা চট্টগ্রামে জামায়াতের থানা আমিরসহ ৪৯ নেতাকর্মী গ্রেফতার
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৬:০১ অপরাহ্ন

আজ ১৭ এপ্রিল : ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস

/ ৩৪০ পঠিত
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২০

আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য একদিন আজকের এ দিনটি।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের এই দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। পরে এ বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর হিসেবে নামকরণ করা হয়।

প্রতি বছর নানা আয়োজনে দিবসটি পালিত হলেও এ বছর এর ব্যতিক্রম। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ঠেকাতে এ বছর দিবসটি উপলক্ষে কোন ধরনের সরকারি-বেসরকারি কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়নি বলে জানা যায়। তাই আজকের মুজিব নগর দিবসটি ঘরে পালনের আহবান জানান আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “করোনা প্রতিরোধ যুদ্ধে সামনে থেকে যেসব চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী জীবনবাজি রেখে সেবা প্রদান করছেন ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে তাদের সবাইকে সশ্রদ্ধ সালাম ও কৃতজ্ঞতা”।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক বা প্রতিকার না থাকায় সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই একমাত্র উত্তম পন্থা”।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানোর পর একই বছরের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্ররূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করা হয়।

ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করা হয়। সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি ও সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।

অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী হিসেবে ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী এবং স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী হিসেবে এএইচএম কামরুজ্জামানকে নিয়োগ দেয়া হয়। জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী অস্থায়ী সরকারের মুক্তিবাহিনীর প্রধান কমান্ডার এবং মেজর জেনারেল আবদুর রব চিফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন।

১৭ এপ্রিল সকালে মুজিবনগরে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পরদিন দেশ-বিদেশের পত্রপত্রিকা এবং সংবাদমাধ্যমে সরকারের শপথ গ্রহণের সংবাদ বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ছাপা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ